সত্যের সাথে সবসময়

বাংলাদেশ বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার স্বীকৃতি: ভোরের সময়ের সেরা সাংবাদিক হলেন এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ

বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার স্বীকৃতি: ভোরের সময়ের সেরা সাংবাদিক হলেন এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ

বস্তুনিষ্ঠ

সত্য, সাহস আর অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে দৈনিক ভোরের সময়-এর সেরা সাংবাদিক হিসেবে সম্মাননা অর্জন করেছেন এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ। জাতীয় দৈনিক ভোরের সময় পত্রিকার ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সাংবাদিকতায় বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁর হাতে এই সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়।
শনিবার (২৪ জানুয়ারি ২০২৬) ঢাকায় দিনব্যাপী আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সম্মাননা প্রদান করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের সাবেক বিচারপতি সিকদার মকবুল হক। তিনি বলেন, “সাংবাদিকতা সমাজের দর্পণ। বস্তুনিষ্ঠ ও সাহসী সাংবাদিকরাই পারেন সত্যকে মানুষের সামনে তুলে ধরতে।”
দৈনিক ভোরের সময়-এর ১৬ বছর পূর্তি উপলক্ষে অনুষ্ঠানমালা শুরু হয় সকালে পুরান পল্টনস্থ পত্রিকার কার্যালয়ে। এ উপলক্ষে পুরান পল্টন মেইন রোডে বের করা হয় একটি বিশাল ও বর্ণাঢ্য র‌্যালি। পরে কার্যালয়ে দেশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলার সাংবাদিকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মতবিনিময় সভা, যেখানে বক্তব্য রাখেন পত্রিকার প্রধান সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব।
বিকেল তিনটায় রাজধানীর ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ইনস্টিটিউটের ষষ্ঠ তলায় কোরআন তিলাওয়াতের মাধ্যমে মূল অনুষ্ঠান শুরু হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন, আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণী এবং মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক ভোরের সময়-এর প্রধান সম্পাদক মোঃ হাবিবুর রহমান এবং উদ্বোধন করেন প্রকাশক রিনা বেগম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—
বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের (বিএফইউজে) সভাপতি ওবায়দুর রহমান শাহীন,
প্রেস কাউন্সিল সদস্য ও ডিইউজে সভাপতি এবং দৈনিক মানবকণ্ঠের সম্পাদক মোঃ শহিদুল ইসলাম,
আন্তর্জাতিক প্রবাসী মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এইচ এম মনিরুজ্জামান,
বাংলাদেশ সংবাদপত্র শিল্প পরিষদের মহাসচিব মোঃ ইউনুস সোহাগসহ গণমাধ্যম ও সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
সম্মাননা প্রাপ্ত এস এম জহিরুল ইসলাম বিদ্যুৎ দৈনিক ভোরের সময় পত্রিকার নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত। সাংবাদিকতার পাশাপাশি তিনি মানবাধিকার ও বিভিন্ন সামাজিক-সাংগঠনিক কার্যক্রমেও সক্রিয়ভাবে যুক্ত। তাঁর এই অর্জনকে সাংবাদিকতায় নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার এক অনন্য স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন সহকর্মী ও বিশিষ্টজনরা।
অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারীরা বলেন, এ ধরনের আয়োজন সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত উৎসাহ, ঐক্য ও দায়বদ্ধতা আরও সুদৃঢ় করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন