সত্যের সাথে সবসময়

বাংলাদেশ নারায়ণগঞ্জে ভোরে ছিনতাইকারীদের কবলে সাংবাদিক আরিফ আলম দিপু, অস্ত্রের মুখে লুট টাকা-স্বর্ণালংকার

নারায়ণগঞ্জে ভোরে ছিনতাইকারীদের কবলে সাংবাদিক আরিফ আলম দিপু, অস্ত্রের মুখে লুট টাকা-স্বর্ণালংকার

টাকা

মেয়েকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে তুলে দিতে গিয়ে নারায়ণগঞ্জ শহরের আমলাপাড়া এলাকায় ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েছেন দৈনিক শীতলক্ষ্যার সম্পাদক ও নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি আরিফ আলম দিপু। রবিবার (১৮ অক্টোবর) সকাল সোয়া ৬টার দিকে মোটরসাইকেলে আসা তিন ছিনতাইকারী ছুরি ও আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাঁর মেয়ের মোবাইল ফোন ও কানের দুল এবং তাঁর কাছে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ ঘটনায় শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন অনেকে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, রবিবার সকালে মেয়েকে ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির বাসে তুলে দিতে বাসার বাইরে যান আরিফ আলম দিপু। সকাল আনুমানিক ৬টা ২০ মিনিটে শহরের আমলাপাড়া এলাকায় আসনা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের সামনে পৌঁছালে একটি মোটরসাইকেলে থাকা তিন ব্যক্তি তাঁদের পথরোধ করে। পরে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তাঁরা মোবাইল ফোন, কানের দুল ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়।
আরিফ আলম দিপু জানান, ছিনতাইকারীরা তাঁর মেয়ের মোবাইল ফোন ও কানের দুল এবং তাঁর কাছে থাকা আনুমানিক ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা নিয়ে যায়। তাঁদের মধ্যে একজনের হাতে বড় ছোরা ছিল এবং অন্য একজনের কাছে সম্ভবত পিস্তল ছিল বলে তিনি জানান।
ঘটনার সময় নিজের ও মেয়ের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, পরিস্থিতি এতটাই আকস্মিক ছিল যে ছিনতাইকারীদের ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করার সুযোগ পাননি। সঙ্গে মেয়ে থাকায় তাঁর উদ্বেগ আরও বেড়ে যায়। ভাগ্যক্রমে নিজের মোবাইল ফোনটি সঙ্গে না নেওয়ায় সেটি খোয়া যায়নি বলেও জানান তিনি।
ঘটনার পর নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে আরিফ আলম দিপু শহরের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। তাঁর ওই পোস্টের পর অনেকে মন্তব্যে নারায়ণগঞ্জে ছিনতাইয়ের শিকার হওয়ার অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। কেউ কেউ শহরের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন, আবার কেউ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা বাড়ানোর দাবি জানান।
সকালের ব্যস্ততা শুরুর আগেই শহরের একটি এলাকায় এমন ছিনতাইয়ের ঘটনায় জননিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। নগরবাসীর প্রত্যাশা, ছিনতাই প্রতিরোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কার্যকর পদক্ষেপ নেবে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনবে।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন