সত্যের সাথে সবসময়

বাংলাদেশ বেঁচে থাকলে বিএনপির সঙ্গেই থাকব, মরতে হলে বিএনপির হয়েই মরতে চাই’ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এডভোকেট শাহ আলম মানিকের আবেগঘন অঙ্গীকার

বেঁচে থাকলে বিএনপির সঙ্গেই থাকব, মরতে হলে বিএনপির হয়েই মরতে চাই’ বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে এডভোকেট শাহ আলম মানিকের আবেগঘন অঙ্গীকার

এডভোকেট

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপিকে নিজের রাজনৈতিক পরিচয়, বিশ্বাস ও অস্তিত্বের অংশ হিসেবে উল্লেখ করে দলটির প্রতি আজীবন অনুগত থাকার অঙ্গীকার করেছেন এডভোকেট শাহ আলম মানিক। বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেওয়া এক আবেগঘন বার্তায় তিনি বলেন, ‘বেঁচে থাকলে বিএনপির সাথেই থাকব, আর মরতে হলে বিএনপির হয়েই মরতে চাই।’
এডভোকেট শাহ আলম মানিক বলেন, বিএনপি তাঁর কাছে শুধু একটি রাজনৈতিক দল নয়, এটি তাঁর আবেগ, বিশ্বাস ও অস্তিত্বের অংশ। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিজের রাজনৈতিক পথপ্রদর্শক এবং প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে প্রেরণা ও আদর্শের প্রতীক হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাঁদের যোগ্য উত্তরসূরি বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান তাঁর রাজনৈতিক অভিভাবক।
তিনি বলেন, জীবনের দীর্ঘ পথচলায় অনেক প্রতিকূলতা এসেছে। সময়ের স্রোতে অনেকে রাজনৈতিক পথ ও আদর্শ পরিবর্তন করলেও তিনি নিজের বিশ্বাস থেকে কখনো সরে যাননি এবং ভবিষ্যতেও সরে যাবেন না।
বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে নারায়ণগঞ্জবাসীর সামনে নিজের অঙ্গীকার তুলে ধরে শাহ আলম মানিক বলেন, যতদিন শরীরে প্রাণ থাকবে, ততদিন বিএনপির পতাকার সঙ্গেই থাকবেন। হৃদয়ে স্পন্দন থাকা পর্যন্ত শহীদ জিয়ার আদর্শের কথা বলবেন এবং জীবনের শেষ নিঃশ্বাসটুকুও বিএনপির একজন কর্মী হিসেবেই দিতে চান।
তিনি আরও বলেন, পদ-পদবি, ক্ষমতা কিংবা কোনো সুবিধা পাওয়ার জন্য তাঁর রাজনীতি নয়। তাঁর রাজনীতি বিশ্বাস, ভালোবাসা ও আদর্শের রাজনীতি। নারায়ণগঞ্জের মাটি ও মানুষের সঙ্গে তাঁর আত্মার সম্পর্ক রয়েছে উল্লেখ করে তিনি সুখে-দুঃখে, সুদিনে-দুর্দিনে নারায়ণগঞ্জবাসীর পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শাহ আলম মানিক বলেন, ‘এক জীবনে অনেক কিছু পাওয়া-না পাওয়ার হিসাব থাকতে পারে, কিন্তু আমার সবচেয়ে বড় পরিচয় একটাই—আমি বিএনপির মানুষ।’
বক্তব্যের শেষে তিনি বিএনপি, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও প্রয়াত দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে দলের জন্য শুভকামনা জানান। একই সঙ্গে জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন